ঢাকা , সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক ২০০৯ সালের পর ঢাকায় একদিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড ফাঁস হলো স্যামসাং জেড ফোল্ড ৮ আল্ট্রার দাম ও ফিচার হতাশা থেকে মুক্তি দিতে পারে কোরআনের এই ১০ আয়াত চট্টগ্রামের দুর্গতদের পাশে যুবদল সভাপতি মুন্না বর্তমান রিজার্ভ প্রায় ৩৬.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার : অর্থমন্ত্রী সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, পরীমণির বাঁধভাঙ্গা উল্লাস জলাবদ্ধতাকবলিত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানের হিট লিস্টে ১৩ বিশ্বনেতা দুই মাস পর ঘুরে দাঁড়ালো সঞ্চয়পত্র বিক্রি

ইস্যুতে চাপা পড়া বাঙালি

বাঙ্গালী কণ্ঠ ডেস্কঃ আন্দোলন সংগ্রাম আর অধিকার আদায়ে বাঙালি জাতি অন্য যে কোনো জাতি থেকে ভিন্ন। আমারাই একমাত্র জাতি যারা কি-না রক্ত দিয়ে নিজের মায়ের ভাষাকে পেয়েছি। আমরা এমনই জাতি যারা ৯ মাস যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি।

বিশ্ব মানচিত্রে লেখা হয়েছে বাংলাদেশ। বিশ্ব পরিমণ্ডল তাই বাংলাকে সমীহ করে। বাংলা আর বাঙালিয়ানায় আমরা কখনোই কার্পণ্য করি না।

সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি বিষয়ে খুব নজর কেড়েছে। কিছু হলেই আমরা প্রত্যেকেই প্রত্যেক অবস্থান থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ি। বিষয়টা এক দিয়ে ভালো। কিন্তু প্রশ্ন হলো স্থির থাকতে পারি না কেন?

একটা ঘটনা ধামাচাপা দিচ্ছে আরেকটা ঘটনাকে, পূর্বের ঘটনাকে ভুলে আবার নুতন আরেকটা ঘটনা নিয়ে সবাই সোচ্চার হই।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু গণমাধ্যম, সুশীল থেকে শুরু করে বিশেষজ্ঞ, সরকার থেকে শুরু করে বিরোধী দল সবাই নিজেদের অবস্থান জানান দেই। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশেও এগুলো নিয়ে সভা-সমাবেশ কিংবা দেশীয় ষ্টাইলে রেষ্টুরেন্ট কিংবা বাঙ্গালি পাড়ায় আলোচনা সমালোচনার ধোয়া তুলি। একটা সময় হাপিয়ে উঠি আবার অপেক্ষা করি নতুন কোনো ইস্যুর।

এক শ্রেণির লোক আছে তারা অপেক্ষা করে কোন ইস্যুটা কিভাবে মার্কেটে খাওয়ানো যায়। সরকার দলের ইস্যু হলে তো কথাই নেই ইউটিউব, ফেসবুক সরব। কার কত ভিউয়ার্স, কত শেয়ার। দিন শেষে হিসেব করে কত আয় হলো।

কিন্তু আমরা যেই চেতনা নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছি। যেই সাম্প্রদায়িক শক্তি আমাদের মনোবল চাঙ্গা রেখেছিল আমরা কি সেই জায়গায় আছি? আমরা এখনো মুক্তির স্বপ্ন দেখি, অসমাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের বুনিয়াদ খুঁজি।

তাহলে কি বাঙালি তার জাতি স্বত্তা হারিয়ে ফেলছে? নাকি বাঙালির বিবেক মরে যাচ্ছে। অনেক কিছু ফলাও করে প্রচার হচ্ছে আবার অন্তরালে থেকে যাচ্ছে এমন অনেক কিছুই আছে।

প্রাচীন বাংলার আবহমান কৃষ্টি, সংস্কৃতি, সম্প্রীতি ভালোবাসার বন্ধন কি আবারও ফিরে আসবে?

বাংলা কি ফিরে পাবে তার ঐতিহ্য? আমরা কি আবারও গর্জে উঠব? রনাঙ্গণে কি রক্তের বন্যা হবে?

না, সব দায় কে সায় বলে পার পাওয়া যাবে না।
অবস্থানটা পরিষ্কার করে সত্যের মশাল হাতে নিয়ে গড়ে তুলতে হবে সোনার বাংলা। তবেই শান্তি পাবে ত্রিশ লাখ শহীদদের আত্মা। রক্ষা পাবে স্বাধীন সার্বভৌম ভূখণ্ড বাংলাদেশের মান।

কোনো ইস্যুই চাপা পড়বে না। ব্যাক্তি স্বার্থের ঊর্ধ্বে সোনার বাংলা গঠনে আমরা বদ্ধ পরিকর। আমরা বাঙালি জাতি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক

ইস্যুতে চাপা পড়া বাঙালি

আপডেট টাইম : ০৪:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ অক্টোবর ২০১৯

বাঙ্গালী কণ্ঠ ডেস্কঃ আন্দোলন সংগ্রাম আর অধিকার আদায়ে বাঙালি জাতি অন্য যে কোনো জাতি থেকে ভিন্ন। আমারাই একমাত্র জাতি যারা কি-না রক্ত দিয়ে নিজের মায়ের ভাষাকে পেয়েছি। আমরা এমনই জাতি যারা ৯ মাস যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি।

বিশ্ব মানচিত্রে লেখা হয়েছে বাংলাদেশ। বিশ্ব পরিমণ্ডল তাই বাংলাকে সমীহ করে। বাংলা আর বাঙালিয়ানায় আমরা কখনোই কার্পণ্য করি না।

সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি বিষয়ে খুব নজর কেড়েছে। কিছু হলেই আমরা প্রত্যেকেই প্রত্যেক অবস্থান থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ি। বিষয়টা এক দিয়ে ভালো। কিন্তু প্রশ্ন হলো স্থির থাকতে পারি না কেন?

একটা ঘটনা ধামাচাপা দিচ্ছে আরেকটা ঘটনাকে, পূর্বের ঘটনাকে ভুলে আবার নুতন আরেকটা ঘটনা নিয়ে সবাই সোচ্চার হই।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু গণমাধ্যম, সুশীল থেকে শুরু করে বিশেষজ্ঞ, সরকার থেকে শুরু করে বিরোধী দল সবাই নিজেদের অবস্থান জানান দেই। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশেও এগুলো নিয়ে সভা-সমাবেশ কিংবা দেশীয় ষ্টাইলে রেষ্টুরেন্ট কিংবা বাঙ্গালি পাড়ায় আলোচনা সমালোচনার ধোয়া তুলি। একটা সময় হাপিয়ে উঠি আবার অপেক্ষা করি নতুন কোনো ইস্যুর।

এক শ্রেণির লোক আছে তারা অপেক্ষা করে কোন ইস্যুটা কিভাবে মার্কেটে খাওয়ানো যায়। সরকার দলের ইস্যু হলে তো কথাই নেই ইউটিউব, ফেসবুক সরব। কার কত ভিউয়ার্স, কত শেয়ার। দিন শেষে হিসেব করে কত আয় হলো।

কিন্তু আমরা যেই চেতনা নিয়ে দেশ স্বাধীন করেছি। যেই সাম্প্রদায়িক শক্তি আমাদের মনোবল চাঙ্গা রেখেছিল আমরা কি সেই জায়গায় আছি? আমরা এখনো মুক্তির স্বপ্ন দেখি, অসমাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের বুনিয়াদ খুঁজি।

তাহলে কি বাঙালি তার জাতি স্বত্তা হারিয়ে ফেলছে? নাকি বাঙালির বিবেক মরে যাচ্ছে। অনেক কিছু ফলাও করে প্রচার হচ্ছে আবার অন্তরালে থেকে যাচ্ছে এমন অনেক কিছুই আছে।

প্রাচীন বাংলার আবহমান কৃষ্টি, সংস্কৃতি, সম্প্রীতি ভালোবাসার বন্ধন কি আবারও ফিরে আসবে?

বাংলা কি ফিরে পাবে তার ঐতিহ্য? আমরা কি আবারও গর্জে উঠব? রনাঙ্গণে কি রক্তের বন্যা হবে?

না, সব দায় কে সায় বলে পার পাওয়া যাবে না।
অবস্থানটা পরিষ্কার করে সত্যের মশাল হাতে নিয়ে গড়ে তুলতে হবে সোনার বাংলা। তবেই শান্তি পাবে ত্রিশ লাখ শহীদদের আত্মা। রক্ষা পাবে স্বাধীন সার্বভৌম ভূখণ্ড বাংলাদেশের মান।

কোনো ইস্যুই চাপা পড়বে না। ব্যাক্তি স্বার্থের ঊর্ধ্বে সোনার বাংলা গঠনে আমরা বদ্ধ পরিকর। আমরা বাঙালি জাতি।