ঢাকা , সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক ২০০৯ সালের পর ঢাকায় একদিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড ফাঁস হলো স্যামসাং জেড ফোল্ড ৮ আল্ট্রার দাম ও ফিচার হতাশা থেকে মুক্তি দিতে পারে কোরআনের এই ১০ আয়াত চট্টগ্রামের দুর্গতদের পাশে যুবদল সভাপতি মুন্না বর্তমান রিজার্ভ প্রায় ৩৬.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার : অর্থমন্ত্রী সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, পরীমণির বাঁধভাঙ্গা উল্লাস জলাবদ্ধতাকবলিত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানের হিট লিস্টে ১৩ বিশ্বনেতা দুই মাস পর ঘুরে দাঁড়ালো সঞ্চয়পত্র বিক্রি

মোদিকে হাস্যকর প্রশ্ন করে বিপাকে নারী সাংবাদিক

সাংবাদিকতা পড়তে এলে একেবারে শুরুতেই শিক্ষার্থীদের শেখানো হয়, কর্মক্ষেত্রে কোনও বিশিষ্ট ব্যক্তির সাক্ষাৎকার নিতে গেলে আগে ভাল করে ‘হোমওয়ার্ক’ করে নেওয়ার ব্যাপারে। যার সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে, কোনও কারণে তার সম্পর্কে খুব বেশি জানা সম্ভব না হলেও অন্তত প্রাথমিক জ্ঞানটুকু নিয়ে যাওয়া জরুরি। নইলে ঘটনাস্থলে বেকায়দায় পড়তে হতে পারে।

এই প্রাথমিক জ্ঞানটুকুর অভাবে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে তুমুল হেনস্তার মুখে পড়তে হল ন্যাশনাল ব্রডকাস্টিং কোম্পানির (NBC) নারী সাংবাদিক মেগিন কেলিকে। তাকে নিয়ে নেটদুনিয়ায় দিনভর চলল ঠাট্টা, সমালোচনা। সেই সঙ্গে একের পর এক তির্যক মন্তব্য শুনতে হল তাকে। কারণ তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে হাস্যকর প্রশ্ন করেছিলেন।

ঘটনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার। সেন্ট পিটার্সবার্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সাক্ষাৎকার নিচ্ছিলেন কেলি। প্রথমটায় বেশ হালকা মেজাজেই কথাবার্তা চলছিল। টুইটারে মেগানের প্রোফাইল পিকচারের প্রশংসা করেন মোদি।

তার উত্তরে উপস্থিত সকলকে চমকে দিয়ে কেলি পাল্টা মোদির কাছে জানতে চান, “আপনি টুইটারে আছেন?” তার এই প্রশ্নেই বেজায় চটেছেন নেটিজেনরা। তাদের বক্তব্য, ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎকার নিতে এসেছেন যে সাংবাদিক, তিনি এটুকু জানেন না যে বিশ্বের তৃতীয় জনপ্রিয়তম নেতা নরেন্দ্র মোদি। টুইটারে তার ৩ কোটিরও বেশি ফলোয়ার্স রয়েছে।

এরপরই সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ও মাইক্রো ব্লগিং সাইটে মেগিন কেলি ও তার চ্যানেলের বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় ওঠে। মেগিনের কাছে অনেকেই জানতে চান, রাশিয়াতে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক বৈঠকের মঞ্চে যোগ দিতে গিয়েছেন, অথচ উপস্থিত হাই প্রোফাইল নেতাদের সম্পর্কে ন্যূনতম পড়াশোনাটুকু করেননি কেন? অনেকে আবার কেলির এই মনোভাবকে মার্কিনিদের স্বাভাবিক ঔদ্ধত্য বলেও ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন।
তবে সমালোচকরা যাই বলুক না কেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কিন্তু ঠান্ডা মাথায় পরিস্থিতি সামাল দেন। তিনি কেলির প্রশ্নে হেসে ওঠেন। সরাসরি উত্তর এড়িয়ে যান। মোদির এই মনোভাবেরও প্রশংসা করেছেন নেটিজেনরা।

 

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক

মোদিকে হাস্যকর প্রশ্ন করে বিপাকে নারী সাংবাদিক

আপডেট টাইম : ১২:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জুন ২০১৭

সাংবাদিকতা পড়তে এলে একেবারে শুরুতেই শিক্ষার্থীদের শেখানো হয়, কর্মক্ষেত্রে কোনও বিশিষ্ট ব্যক্তির সাক্ষাৎকার নিতে গেলে আগে ভাল করে ‘হোমওয়ার্ক’ করে নেওয়ার ব্যাপারে। যার সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে, কোনও কারণে তার সম্পর্কে খুব বেশি জানা সম্ভব না হলেও অন্তত প্রাথমিক জ্ঞানটুকু নিয়ে যাওয়া জরুরি। নইলে ঘটনাস্থলে বেকায়দায় পড়তে হতে পারে।

এই প্রাথমিক জ্ঞানটুকুর অভাবে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে তুমুল হেনস্তার মুখে পড়তে হল ন্যাশনাল ব্রডকাস্টিং কোম্পানির (NBC) নারী সাংবাদিক মেগিন কেলিকে। তাকে নিয়ে নেটদুনিয়ায় দিনভর চলল ঠাট্টা, সমালোচনা। সেই সঙ্গে একের পর এক তির্যক মন্তব্য শুনতে হল তাকে। কারণ তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে হাস্যকর প্রশ্ন করেছিলেন।

ঘটনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার। সেন্ট পিটার্সবার্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সাক্ষাৎকার নিচ্ছিলেন কেলি। প্রথমটায় বেশ হালকা মেজাজেই কথাবার্তা চলছিল। টুইটারে মেগানের প্রোফাইল পিকচারের প্রশংসা করেন মোদি।

তার উত্তরে উপস্থিত সকলকে চমকে দিয়ে কেলি পাল্টা মোদির কাছে জানতে চান, “আপনি টুইটারে আছেন?” তার এই প্রশ্নেই বেজায় চটেছেন নেটিজেনরা। তাদের বক্তব্য, ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎকার নিতে এসেছেন যে সাংবাদিক, তিনি এটুকু জানেন না যে বিশ্বের তৃতীয় জনপ্রিয়তম নেতা নরেন্দ্র মোদি। টুইটারে তার ৩ কোটিরও বেশি ফলোয়ার্স রয়েছে।

এরপরই সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ও মাইক্রো ব্লগিং সাইটে মেগিন কেলি ও তার চ্যানেলের বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় ওঠে। মেগিনের কাছে অনেকেই জানতে চান, রাশিয়াতে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক বৈঠকের মঞ্চে যোগ দিতে গিয়েছেন, অথচ উপস্থিত হাই প্রোফাইল নেতাদের সম্পর্কে ন্যূনতম পড়াশোনাটুকু করেননি কেন? অনেকে আবার কেলির এই মনোভাবকে মার্কিনিদের স্বাভাবিক ঔদ্ধত্য বলেও ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন।
তবে সমালোচকরা যাই বলুক না কেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কিন্তু ঠান্ডা মাথায় পরিস্থিতি সামাল দেন। তিনি কেলির প্রশ্নে হেসে ওঠেন। সরাসরি উত্তর এড়িয়ে যান। মোদির এই মনোভাবেরও প্রশংসা করেছেন নেটিজেনরা।