ঢাকা , সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলা কিউআরে দৈনিক লেনদেন ছাড়াল ১১০ কোটি টাকা কঙ্গনার ‘সস্তা কপি’ মন্তব্যের পর তাপসীর রহস্যময় পোস্ট বিয়ের প্রলোভনে আসা যুবতীকে আটকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩ নির্দিষ্ট দিনেই হচ্ছে সিলেটের বিয়ানীবাজারের সেই নৌকাবাইচ প্যারিসে আলোচনা সভা জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের আহ্বান জামা-কাপড় কিনে এনেই পরছেন? ডেকে আনছেন মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি বঙ্গভবনে নতুন রাষ্ট্রপতির কার্যক্রম শুরু ২২ দিনে রেমিট্যান্স এল ২১৫ কোটি ডলার পেশাগত দক্ষতা-যোগ্যতা হবে পদোন্নতির মানদণ্ড: প্রধানমন্ত্রীপেশাগত দক্ষতা-যোগ্যতা হবে পদোন্নতির মানদণ্ড: প্রধানমন্ত্রী

দুই মাসে ৫ হাজার ৩০৮ কোটি টাকার কৃষিঋণ বিতরণ

চলতি ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরের প্রথম দুই মাস জুলাই ও আগস্টে ৫ হাজার ৩০৮ কোটি টাকার কৃষিঋণ বিতরণ করেছে ব্যাংকগুলো। একই সময়ে কৃষকরা পূর্বের নেওয়া ঋণের পাঁচ হাজার ২৫১ কোটি টাকা ব্যাংকগুলোকে ফেরত দিয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। কৃষিঋণকে সবসময়ই ইতিবাচক হিসেবে দেখেন ব্যাংকখাত সংশ্লিষ্টরা। কারণ এ ঋণে ঝুঁকি কম। বড় ঋণে অনেকে খেলাপিতে পরিণত হলেও কৃষিতে খেলাপির পরিমাণ অতি নগণ্য। কেন্দ্রীয় ব্যাংকও এ ঋণে বেশ উৎসাহিত করছে। অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে আদায় ও বিতরণ সন্তোষজনক বলেই জানান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা। কৃষকদের হাতে কম সুদে ঋণ পৌঁছাতে নিজস্ব নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অন্তত ৫০ শতাংশ ঋণ বিতরণ বাধ্যতামূলক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর আগে যেটা ছিল ৩০ শতাংশ। আবার কৃষিঋণের কত অংশ কোন খাতে বিতরণ করতে হবে তাও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া মৎস্য খাতে মোট লক্ষ্যমাত্রার নূন্যতম ১৩ শতাংশ ও প্রাণিসম্পদ খাতে নূন্যতম ১৫ শতাংশ ঋণ বিতরণ করতে হবে। চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশ ব্যাংকের বার্ষিক কৃষি ও পল্লি ঋণ বিতরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করে ৩৫ হাজার কোটি টাকা। এটি গত ২০২২-২৩ অর্থবছরের চেয়ে ১৩ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছর ৩০ হাজার ৮১১ কোটি টাকা কৃষিঋণের লক্ষ্য ছিল। আগস্ট পর্যন্ত কৃষিঋণের স্থিতি ৫৩ হাজার ২৩০ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। যেখানে সার্বিকভাবে কৃষি খাতে ঋণ খেলাপি ৭ দশমিক ৩৭ শতাংশ বা তিন হাজার ৯২৪ কোটি। চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাস জুলাই ও আগস্টে কৃষকদের সবচেয়ে বেশি ঋণ দিয়েছে বিশেষায়িত বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক (বিকেবি)। এই দুই মাসে ব্যাংকটির বিতরণ করা ঋণের পরিমাণ ৮৫৩ কোটি টাকা। এর পরেই রয়েছে বেসরকারি খাতের ডাচ বাংলা ব্যাংক। ব্যাংকটি এসময়ে বিতরণ করেছে ৪৮৮ কোটি টাকার ঋণ। এ ছাড়া বিদেশি স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক কৃষিঋণ বিতরণ করেছে ৩৯৭ কোটি টাকা, ইসলামি ব্যাংক ৩৫৩ কোটি এবং ব্র্যাক ব্যাংক ২২৩ কোটি টাকা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলা কিউআরে দৈনিক লেনদেন ছাড়াল ১১০ কোটি টাকা

দুই মাসে ৫ হাজার ৩০৮ কোটি টাকার কৃষিঋণ বিতরণ

আপডেট টাইম : ০২:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩

চলতি ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরের প্রথম দুই মাস জুলাই ও আগস্টে ৫ হাজার ৩০৮ কোটি টাকার কৃষিঋণ বিতরণ করেছে ব্যাংকগুলো। একই সময়ে কৃষকরা পূর্বের নেওয়া ঋণের পাঁচ হাজার ২৫১ কোটি টাকা ব্যাংকগুলোকে ফেরত দিয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। কৃষিঋণকে সবসময়ই ইতিবাচক হিসেবে দেখেন ব্যাংকখাত সংশ্লিষ্টরা। কারণ এ ঋণে ঝুঁকি কম। বড় ঋণে অনেকে খেলাপিতে পরিণত হলেও কৃষিতে খেলাপির পরিমাণ অতি নগণ্য। কেন্দ্রীয় ব্যাংকও এ ঋণে বেশ উৎসাহিত করছে। অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে আদায় ও বিতরণ সন্তোষজনক বলেই জানান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা। কৃষকদের হাতে কম সুদে ঋণ পৌঁছাতে নিজস্ব নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অন্তত ৫০ শতাংশ ঋণ বিতরণ বাধ্যতামূলক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর আগে যেটা ছিল ৩০ শতাংশ। আবার কৃষিঋণের কত অংশ কোন খাতে বিতরণ করতে হবে তাও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া মৎস্য খাতে মোট লক্ষ্যমাত্রার নূন্যতম ১৩ শতাংশ ও প্রাণিসম্পদ খাতে নূন্যতম ১৫ শতাংশ ঋণ বিতরণ করতে হবে। চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশ ব্যাংকের বার্ষিক কৃষি ও পল্লি ঋণ বিতরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করে ৩৫ হাজার কোটি টাকা। এটি গত ২০২২-২৩ অর্থবছরের চেয়ে ১৩ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছর ৩০ হাজার ৮১১ কোটি টাকা কৃষিঋণের লক্ষ্য ছিল। আগস্ট পর্যন্ত কৃষিঋণের স্থিতি ৫৩ হাজার ২৩০ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। যেখানে সার্বিকভাবে কৃষি খাতে ঋণ খেলাপি ৭ দশমিক ৩৭ শতাংশ বা তিন হাজার ৯২৪ কোটি। চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাস জুলাই ও আগস্টে কৃষকদের সবচেয়ে বেশি ঋণ দিয়েছে বিশেষায়িত বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক (বিকেবি)। এই দুই মাসে ব্যাংকটির বিতরণ করা ঋণের পরিমাণ ৮৫৩ কোটি টাকা। এর পরেই রয়েছে বেসরকারি খাতের ডাচ বাংলা ব্যাংক। ব্যাংকটি এসময়ে বিতরণ করেছে ৪৮৮ কোটি টাকার ঋণ। এ ছাড়া বিদেশি স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক কৃষিঋণ বিতরণ করেছে ৩৯৭ কোটি টাকা, ইসলামি ব্যাংক ৩৫৩ কোটি এবং ব্র্যাক ব্যাংক ২২৩ কোটি টাকা।