ঢাকা , সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলা কিউআরে দৈনিক লেনদেন ছাড়াল ১১০ কোটি টাকা কঙ্গনার ‘সস্তা কপি’ মন্তব্যের পর তাপসীর রহস্যময় পোস্ট বিয়ের প্রলোভনে আসা যুবতীকে আটকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩ নির্দিষ্ট দিনেই হচ্ছে সিলেটের বিয়ানীবাজারের সেই নৌকাবাইচ প্যারিসে আলোচনা সভা জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের আহ্বান জামা-কাপড় কিনে এনেই পরছেন? ডেকে আনছেন মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি বঙ্গভবনে নতুন রাষ্ট্রপতির কার্যক্রম শুরু ২২ দিনে রেমিট্যান্স এল ২১৫ কোটি ডলার পেশাগত দক্ষতা-যোগ্যতা হবে পদোন্নতির মানদণ্ড: প্রধানমন্ত্রীপেশাগত দক্ষতা-যোগ্যতা হবে পদোন্নতির মানদণ্ড: প্রধানমন্ত্রী

শীতের আগমনী অতিথি পাখি আসছে

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ প্রতিবছর শীতকালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) আগমন ঘটে বিভিন্ন প্রজাতির অতিথি পাখির। পাখিদের কিচিরমিচিরে মুখরিত হয়ে ওঠে ক্যাম্পাস।

লেকময় ফুটে থাকা লাল পদ্ম আর পাখির ওড়াউড়ি, জলকেলি-খুনসুটি শীতকালে এ ক্যাম্পাসের চেনা দৃশ্য। এই মনোহর দৃশ্য উপভোগ করতে শীতে ক্যাম্পাসে সমাগম হয় বিপুল দর্শনার্থীর।

প্রতিবছরের মতো এবারও শীতের আগমনী বার্তা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকগুলোতে আসতে শুরু করেছে পাখি। গত সপ্তাহ থেকেই পাখি আসা শুরু করেছে লেকগুলোতে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ছোট-বড় ১০ থেকে ১২টি লেক থাকলেও পাখি আসে মূলত চারটি লেকে। এগুলোকে পাখির জন্য অভয়ারণ্য ঘোষণা করেছে জাবি প্রশাসন।

এ বছর এখন পর্যন্ত রেজিস্ট্রার ভবনের সামনের লেক ও ট্রান্সপোর্ট সংলগ্ন লেক। এই দুটি লেকেই দেশীয় সরালি নামের হাঁসজাতীয় পাখির দেখা মিলেছে। বাকি লেকগুলোতে এখনো পাখি আসতে শুরু করেনি।পাখি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মোস্তফা ফিরোজ জানান, ‘সরালি আমাদের দেশীয় প্রজাতিরই পাখি। এরা সাধারণত দেশের উত্তরাঞ্চলের চর ও হাওর-বাওরে বাস করে।’ এদের অতিথি পাখি বলতে নারাজ তিনি।

অধ্যাপক ফিরোজ আরো বলেন, ‘জাহাঙ্গীরনগরে যে পাখিগুলো আসে এগুলোর অধিকাংশই আমাদের দেশীয় হাঁসজাতীয় পাখি। অল্প কয়েক প্রজাতির বিদেশি পাখিও আসে। তবে তারা আসে ডিসেম্বরে। এখন যে পাখিগুলো এসেছে এগুলো সরালি।

এরা সাধারণত বাংলাদেশের হিমালয়ের কাছাকাছি দূরত্বের জেলাগুলো ও হাওর-বাওরে বাস করে। জাহাঙ্গীরনগরেও এদের ডিম পাড়া ও বাচ্চা ফোটানোর ঘটনা ঘটেছে। এদের অতিথি বা পরিযায়ী পাখি বলা যায় না। হয়তো জাহাঙ্গীরনগরের জন্য অতিথি বলা যেতে পারে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের গবেষণা তথ্যমতে, জাবির লেকগুলোতে ১৯৮৬ সালে সর্বপ্রথম অতিথি পাখি আসে। তখন ক্যাম্পাসে ৯৮ প্রজাতির পাখির দেখা মিলেছে। বর্তমানে ক্যাম্পাসে ১৯৫ প্রজাতির পাখির দেখা মেলে। এর মধ্যে ১২৬টি দেশীয় প্রজাতির এবং ৬৯টি বিদেশি। পাখি সংরক্ষণ ও গণসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিবছর পাখি মেলার আয়োজন করে প্রাণিবিদ্যা বিভাগ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলা কিউআরে দৈনিক লেনদেন ছাড়াল ১১০ কোটি টাকা

শীতের আগমনী অতিথি পাখি আসছে

আপডেট টাইম : ১১:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ নভেম্বর ২০১৭

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ প্রতিবছর শীতকালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) আগমন ঘটে বিভিন্ন প্রজাতির অতিথি পাখির। পাখিদের কিচিরমিচিরে মুখরিত হয়ে ওঠে ক্যাম্পাস।

লেকময় ফুটে থাকা লাল পদ্ম আর পাখির ওড়াউড়ি, জলকেলি-খুনসুটি শীতকালে এ ক্যাম্পাসের চেনা দৃশ্য। এই মনোহর দৃশ্য উপভোগ করতে শীতে ক্যাম্পাসে সমাগম হয় বিপুল দর্শনার্থীর।

প্রতিবছরের মতো এবারও শীতের আগমনী বার্তা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকগুলোতে আসতে শুরু করেছে পাখি। গত সপ্তাহ থেকেই পাখি আসা শুরু করেছে লেকগুলোতে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ছোট-বড় ১০ থেকে ১২টি লেক থাকলেও পাখি আসে মূলত চারটি লেকে। এগুলোকে পাখির জন্য অভয়ারণ্য ঘোষণা করেছে জাবি প্রশাসন।

এ বছর এখন পর্যন্ত রেজিস্ট্রার ভবনের সামনের লেক ও ট্রান্সপোর্ট সংলগ্ন লেক। এই দুটি লেকেই দেশীয় সরালি নামের হাঁসজাতীয় পাখির দেখা মিলেছে। বাকি লেকগুলোতে এখনো পাখি আসতে শুরু করেনি।পাখি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মোস্তফা ফিরোজ জানান, ‘সরালি আমাদের দেশীয় প্রজাতিরই পাখি। এরা সাধারণত দেশের উত্তরাঞ্চলের চর ও হাওর-বাওরে বাস করে।’ এদের অতিথি পাখি বলতে নারাজ তিনি।

অধ্যাপক ফিরোজ আরো বলেন, ‘জাহাঙ্গীরনগরে যে পাখিগুলো আসে এগুলোর অধিকাংশই আমাদের দেশীয় হাঁসজাতীয় পাখি। অল্প কয়েক প্রজাতির বিদেশি পাখিও আসে। তবে তারা আসে ডিসেম্বরে। এখন যে পাখিগুলো এসেছে এগুলো সরালি।

এরা সাধারণত বাংলাদেশের হিমালয়ের কাছাকাছি দূরত্বের জেলাগুলো ও হাওর-বাওরে বাস করে। জাহাঙ্গীরনগরেও এদের ডিম পাড়া ও বাচ্চা ফোটানোর ঘটনা ঘটেছে। এদের অতিথি বা পরিযায়ী পাখি বলা যায় না। হয়তো জাহাঙ্গীরনগরের জন্য অতিথি বলা যেতে পারে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের গবেষণা তথ্যমতে, জাবির লেকগুলোতে ১৯৮৬ সালে সর্বপ্রথম অতিথি পাখি আসে। তখন ক্যাম্পাসে ৯৮ প্রজাতির পাখির দেখা মিলেছে। বর্তমানে ক্যাম্পাসে ১৯৫ প্রজাতির পাখির দেখা মেলে। এর মধ্যে ১২৬টি দেশীয় প্রজাতির এবং ৬৯টি বিদেশি। পাখি সংরক্ষণ ও গণসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিবছর পাখি মেলার আয়োজন করে প্রাণিবিদ্যা বিভাগ।