ঢাকা , সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলা কিউআরে দৈনিক লেনদেন ছাড়াল ১১০ কোটি টাকা কঙ্গনার ‘সস্তা কপি’ মন্তব্যের পর তাপসীর রহস্যময় পোস্ট বিয়ের প্রলোভনে আসা যুবতীকে আটকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩ নির্দিষ্ট দিনেই হচ্ছে সিলেটের বিয়ানীবাজারের সেই নৌকাবাইচ প্যারিসে আলোচনা সভা জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের আহ্বান জামা-কাপড় কিনে এনেই পরছেন? ডেকে আনছেন মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি বঙ্গভবনে নতুন রাষ্ট্রপতির কার্যক্রম শুরু ২২ দিনে রেমিট্যান্স এল ২১৫ কোটি ডলার পেশাগত দক্ষতা-যোগ্যতা হবে পদোন্নতির মানদণ্ড: প্রধানমন্ত্রীপেশাগত দক্ষতা-যোগ্যতা হবে পদোন্নতির মানদণ্ড: প্রধানমন্ত্রী

ময়মনসিংহে ইষ্টিকুটুমের ডাকে মুখরিত মাঠ-ঘাট

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ গোলাপি ঠোঁটের গাঢ় লাল রঙের চোখ নিয়ে ইষ্টিকুটুম পাখির ডাকে মুখরিত ময়মনসিংহের মাঠ-ঘাট-প্রান্তর।

ময়মনসিংহের গ্রামাঞ্চলের সর্বত্র গাছ থেকে গাছে আশ্রয় নিয়ে কর্কশ স্বরে ডাকাডাকি করতে শোনা যায় ডানা ও পুচ্ছে কালো রঙসহ দেহের বাকি অংশ সোনালি হলুদ রঙের চোখে স্পষ্ট কালো রেখার ইষ্টিকুটুম পাখি।

জেলার সর্বত্র প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রামগুলোতে গেলে সেখানে দেখা মেলে অনেক উঁচু-উঁচু গাছপালা, ঝোপঝাড়, খাল-বিল আর কত পশুপাখি। সবুজে ঢাকা দিগন্ত প্রসারী কৃষিজমি, পুকুরে অপর্যাপ্ত মাছ।

প্রতিটি ঋতুর পরিবর্তন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখে সহজেই বোঝা যায় ময়মনসিংহের সর্বত্র। ‘ইষ্টিকুটুম’ পাখিদের কলতান ফুটিয়ে তুলেছে গ্রামবাংলার আসল রূপ! ময়মনসিংহের গাঁয়ের রূপ দেখে মুগ্ধ সকলেই। গ্রামে-গঞ্জে গেলে সেই সব মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক দৃশ্য আর চোখে পড়ে ইষ্টিকুটম পাখি।

তবে, সম্প্রতি জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে মাঠ, গাছপালা, ঝোপ ইত্যাদি ধ্বংস করে, জলাভূমি ভরাট করে শুধু ঘন বসতি আর ঘিঞ্জি বস্তি তৈরি হচ্ছে। অনেকস্থানে গাছপালাহীন, পশুপাখিহীন গ্রামগুলো এখন ছন্দহীন কবিতার মতোই।

ইষ্টকুটুম হলদে রঙের পাখি। পাখিটি বাংলাদেশ,ভারত ছাড়াও দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে দেখা মেলে। কীটপতঙ্গ, ফল ও ফুলের নির্যাস আহার করে প্রকৃতিতে আজো টিকে আছে ইষ্টিকুটুম।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলা কিউআরে দৈনিক লেনদেন ছাড়াল ১১০ কোটি টাকা

ময়মনসিংহে ইষ্টিকুটুমের ডাকে মুখরিত মাঠ-ঘাট

আপডেট টাইম : ১১:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ গোলাপি ঠোঁটের গাঢ় লাল রঙের চোখ নিয়ে ইষ্টিকুটুম পাখির ডাকে মুখরিত ময়মনসিংহের মাঠ-ঘাট-প্রান্তর।

ময়মনসিংহের গ্রামাঞ্চলের সর্বত্র গাছ থেকে গাছে আশ্রয় নিয়ে কর্কশ স্বরে ডাকাডাকি করতে শোনা যায় ডানা ও পুচ্ছে কালো রঙসহ দেহের বাকি অংশ সোনালি হলুদ রঙের চোখে স্পষ্ট কালো রেখার ইষ্টিকুটুম পাখি।

জেলার সর্বত্র প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রামগুলোতে গেলে সেখানে দেখা মেলে অনেক উঁচু-উঁচু গাছপালা, ঝোপঝাড়, খাল-বিল আর কত পশুপাখি। সবুজে ঢাকা দিগন্ত প্রসারী কৃষিজমি, পুকুরে অপর্যাপ্ত মাছ।

প্রতিটি ঋতুর পরিবর্তন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখে সহজেই বোঝা যায় ময়মনসিংহের সর্বত্র। ‘ইষ্টিকুটুম’ পাখিদের কলতান ফুটিয়ে তুলেছে গ্রামবাংলার আসল রূপ! ময়মনসিংহের গাঁয়ের রূপ দেখে মুগ্ধ সকলেই। গ্রামে-গঞ্জে গেলে সেই সব মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক দৃশ্য আর চোখে পড়ে ইষ্টিকুটম পাখি।

তবে, সম্প্রতি জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে মাঠ, গাছপালা, ঝোপ ইত্যাদি ধ্বংস করে, জলাভূমি ভরাট করে শুধু ঘন বসতি আর ঘিঞ্জি বস্তি তৈরি হচ্ছে। অনেকস্থানে গাছপালাহীন, পশুপাখিহীন গ্রামগুলো এখন ছন্দহীন কবিতার মতোই।

ইষ্টকুটুম হলদে রঙের পাখি। পাখিটি বাংলাদেশ,ভারত ছাড়াও দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে দেখা মেলে। কীটপতঙ্গ, ফল ও ফুলের নির্যাস আহার করে প্রকৃতিতে আজো টিকে আছে ইষ্টিকুটুম।