ঢাকা , সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক ২০০৯ সালের পর ঢাকায় একদিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড ফাঁস হলো স্যামসাং জেড ফোল্ড ৮ আল্ট্রার দাম ও ফিচার হতাশা থেকে মুক্তি দিতে পারে কোরআনের এই ১০ আয়াত চট্টগ্রামের দুর্গতদের পাশে যুবদল সভাপতি মুন্না বর্তমান রিজার্ভ প্রায় ৩৬.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার : অর্থমন্ত্রী সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, পরীমণির বাঁধভাঙ্গা উল্লাস জলাবদ্ধতাকবলিত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানের হিট লিস্টে ১৩ বিশ্বনেতা দুই মাস পর ঘুরে দাঁড়ালো সঞ্চয়পত্র বিক্রি

কিশোরগঞ্জে কালবৈশাখীতে দুই শতাধিক ঘরবাড়ি ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ কিশোরগঞ্জ জেলার হোসেনপুর উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রামে কালবৈশাখীতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

মঙ্গলবার (০৮ মে) বিকেলে উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের ওপর দিয়ে প্রচণ্ড বেগে কালবৈশাখী বয়ে যায়।

স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, ঝড়ে দুই শতাধিক টিনের ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে এবং শতাধিক গাছপালা উপড়ে গেছে। বেশ কয়েকটি ঘরের ওপর গাছ ভেঙে পড়েছে।

ঝড়ে উঠতি বোরো ফসলসহ অন্যান্য ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। বুধবার সকাল পর্যন্ত অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম ভুঁইয়া হিমেল জানান, কালবৈশাখীতে গোবিন্দপুর, গাঙ্গাটিয়া, সৈয়দপুর, ডাংড়ি, বোয়ালিয়ার চর ও পানান গ্রামে বেশি ক্ষতি হয়েছে।

হোসেনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল্লাহ আল মামুন আজ সকালে জানান, ঝড়ে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, সেটা যাচাই করে পরে জানানো হবে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা তৈরি করে আর্থিক সহায়তার আশ্বাসও দেন তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক

কিশোরগঞ্জে কালবৈশাখীতে দুই শতাধিক ঘরবাড়ি ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

আপডেট টাইম : ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ মে ২০১৮

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ কিশোরগঞ্জ জেলার হোসেনপুর উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রামে কালবৈশাখীতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

মঙ্গলবার (০৮ মে) বিকেলে উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের ওপর দিয়ে প্রচণ্ড বেগে কালবৈশাখী বয়ে যায়।

স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, ঝড়ে দুই শতাধিক টিনের ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে এবং শতাধিক গাছপালা উপড়ে গেছে। বেশ কয়েকটি ঘরের ওপর গাছ ভেঙে পড়েছে।

ঝড়ে উঠতি বোরো ফসলসহ অন্যান্য ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। বুধবার সকাল পর্যন্ত অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম ভুঁইয়া হিমেল জানান, কালবৈশাখীতে গোবিন্দপুর, গাঙ্গাটিয়া, সৈয়দপুর, ডাংড়ি, বোয়ালিয়ার চর ও পানান গ্রামে বেশি ক্ষতি হয়েছে।

হোসেনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল্লাহ আল মামুন আজ সকালে জানান, ঝড়ে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, সেটা যাচাই করে পরে জানানো হবে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা তৈরি করে আর্থিক সহায়তার আশ্বাসও দেন তিনি।